
“মহান
স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ পূর্তির
দ্বারপ্রান্তে উপনীত আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর
জন্মশতবার্ষিকী পালনকালে সুখী সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে রূপকল্প-২০২১ সফলভাবে সম্পন্ন
করা জাতির কাছে আমাদের অঙ্গীকার। ইতোমধ্যে জাতিসংঘ ঘোষিত সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা
নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বেই অর্জনের মাধ্যমে দেশ এখন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত, মানুষের
আয় ও আয়ু দুটোই বেড়েছে এবং ছেলেমেয়ে সবার জন্য শিক্ষা ও সুস্বাস্থ্যের নিশ্চয়তার বিধান
করা হয়েছে। ঘরে ঘরে এখন বিদ্যুতের আলো, দুর্ভিক্ষ ও মঙ্গা নাই, গ্রামে গ্রামে পাকা
রাস্তাঘাট, ডিজিটাল যোগাযোগের ফলে মানুষ বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। সর্বকালের
সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুমহান নেতৃত্বে ১৯৭১
সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে ত্রিশ লক্ষ শহীদ ও অগণিত মা-বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত
বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বর্তমানে উন্নীত হয়ে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা
লাভ করেছে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশের কাতারে শামিল হওয়ার পথে ধাবমান।
এসব
পর্বতসম অর্জনের সফল রূপকার স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল বাংলাদেশ
আওয়ামী লীগ। আর এর অগ্রভাগে থেকে ইস্পাত কঠিন সুদৃঢ় নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধুর
রক্ত ও আদর্শের সার্থক উত্তরসূরি তারই সুযোগ্য কন্যা বিশ্বনন্দিত রাষ্ট্রনায়ক, মানবতার
জননী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সভাপতি জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা। দূরদৃষ্টিসম্পন্ন
এ বিশ্বনেতার সুকৌশলী নেতৃত্বে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশের সুখ্যাতি
লাভ করেছে এবং উন্নয়নের সুফল থেকে যাতে কেউই বঞ্চিত না হয় সে-লক্ষ্যে সরকার টেকসই উন্নয়নে
লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সুসমন্বিত কর্মপন্থা বাস্তবায়ন করে চলছে। সরকারের বহুমাত্রিক
উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সম্ভাবনাময় সম্পদ তরুণ-যুবসমাজের মেধা, সৃজনশীলতা,
মনন ও ধীশক্তির উৎপাদনশীল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।”