
“একাদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সমাসন্ন। দেশের জনগণ এখন নির্বাচনমুখী। রাজনৈতিক গুরুত্বের
দিক থেকে এই নির্বাচন কেবল ভোট প্রদানে সীমাবদ্ধ নয়। এই নির্বাচনের ভোট
নির্ধারণ করবে ১৪ দলীয় ঐক্যজোটের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ
যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছে, গণতন্ত্র ও জাতীয় বিকাশে অগ্রগতি সাধন করেছে,
তার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে, নাকি বাংলাদেশ আবার বিএনপি-জামাত যুগের
দুঃশাসন, দুর্নীতি, খুন, ধর্ষণ, মৌলবাদ-সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদের অতলান্ত অন্ধকারে
ডুবে যাবে। বাংলাদেশ যাতে এগিয়ে যেতে না পারে, সেজন্যে অতীতের যে কোন
সময়ের চেয়ে বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি,
সাম্রাজ্যবাদ, বিশেষ করে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ অতিমাত্রায় তৎপর রয়েছে। নির্বাচনসহ
গণতান্ত্রিক বিকাশ, উন্নয়ন সব প্রশ্নেই তারা তাদের নোংরা নাক গলাতে দ্বিধা
করছে না। বিএনপি-জামাতকে ক্ষমতায় পুনর্বাসিত করতে তারা সব শক্তিকে এক
করেছে। নিরপেক্ষ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের কথা বলে এই শক্তিসমূহ নির্বাচন বানচাল
করে অসাংবিধানিক শক্তিকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য তাদের পুরোনো প্রচেষ্টা অব্যাহত
রেখেছে। আর সেটা এখনও সম্ভব না হওয়ায় তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ, নির্বাচনের
ফলাফল সম্পর্কে জনমনে আস্থাহীনতা তৈরি করে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি ও
অশান্তি জিইয়ে রাখতে চায়। এ সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে
হবে। নির্বাচনকে নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তিকে
এই লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ ও দৃঢ় নির্বাচনী সংগ্রাম পরিচালনা করতে হবে।”